গৃহ’কর্মীকে গরম খু’ন্তির ছ্যাঁ’কা দিয়ে নি’র্যা’তন

চট্টগ্রাম নগরীর লালখান বাজার চাঁনমারী রোডে ইয়াসমিন নামে এক শিশু গৃ’হক’র্মীকে নি’র্যাত’নের অভিযোগে গৃ’হক’র্ত্রীকে গ্রে’ফতা’র করেছে পু’লিশ। এদিকে গুরুতর অবস্থায় ওই শিশুকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইয়াসমিনের বাবা-মা না থাকায় পুলিশই বাদি হয়ে অভিযুক্ত আরিফা আক্তারের বি’রুদ্ধে মা’মলা করেছে।

মঙ্গলবার( ৬ আগস্ট) বিকেলে শিশুটিকে উ’দ্ধার করা হয়। শরীরে গরম পানি ঢেলে দেয়া, গরম খু’ন্তি’র ছ্যাঁ’কা এবং বেত দিয়ে পেটানো হতো ওই গৃ’হক’র্মীকে।







পু’লিশ সূত্রে জানা যায়, খু’লশী থানায় কার্যালয়ে মধ্যরাতে বসে গত চার মাস ধরে চলা অমানুষিক নির্যাতনের বর্ণনা দিচ্ছিলেন ১২ বছর বয়েসী এতিম শিশু কন্যা ইয়াসমীন আক্তার। পুরো শরীর জুড়েই নি’র্যা’তনের ক্ষত চিহ্ন।







নগরীর লালখান বাজার চাঁনমারী রোডের বাসিন্দা ব্যাংক কর্মকর্তা মোহাম্মদ বখতিয়ারের বাসায় গৃ’হক’র্মী’র কাজ করতো সে। কিন্তু বাসার কাজে সামান্য ভুল ত্রুটির জন্য যেমন বেত দিয়ে মা’রা হতো, তেমনি গায়ের উপর ঢেলে দেয়া হতো গরম পানি।







সর্বশেষ মঙ্গলবার বিকালে স্থানীয়দের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ গৃ’হক’র্মী ইয়াসমীনকে উ’দ্ধার করে।

চট্টগ্রাম খুলশী থানার অফিসার ইনচার্জ প্রনব কুমার চৌধুরী বলেন, ‘সমস্ত কিছু পর্যাবেক্ষণ করে আমরা বুজলাম, তার উপর অমানুষিক নি’র্যা’তন করা হয়েছে। ভিকটিমের কোন আ’ত্মী’য় স্বজন নেই এবং সে এতিম। তাই পু’লিশ বাদী হয়ে আসামির বি’রুদ্ধে মা’মলার করবে।’







রাতেই গৃ’হক’র্মী ইয়াসমীনকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকলে কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করানো হয়। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত গৃ’হক’ত্রী আরিফা আক্তার।

অভিযুক্ত গৃ’হক’ত্রী আরিফা আক্তার বলেন, ‘বাচ্চা দুধ চুরি করতে গিয়ে তার গায়ে পানি পড়ছে। পানি চুলায় ছিল এবং কেবিনে দুধ ছিলো। সে বাসায় একথাই বলছিলো। এবং এখানেই এসেই সে মিথ্যা কথা বলছে।’







পু’লিশ জানিয়েছে, ইয়াসমীনের মা-বাবা দু’জনই মা’রা গেছে। এমনকি তার কোনো নিকটাত্মীয়ের খোঁজ’ও পাওয়া যায়নি। যে কারণে পুলিশ বাদী হয়ে গৃহকর্ত্রী আরিফা আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে